“ পাপ লুকানোর চেষ্টা করে কোনোদিন সফলকাম হতে পারে না। পাপের কথা স্বীকার করে যদি কেউ তা ত্যাগ করার চেষ্টা করে তবে তার পক্ষে সফলতা লাভ করা স্বাভাবিক ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী ব্যক্তি ছাড়া আর কারো সঙ্গ কামনা করো না ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ স্বাস্থ্যের চাইতে বড় সম্পদ এবং অল্পে তুষ্টির চাইতে বড় সুখ আর কিছু নেই ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ যা সত্য নয় তা কখনো মুখে এনো না । তাহলে তোমার সত্য কথাকেও লোকে অসত্য বলে মনে করবে ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ অভ্যাসকে জয় করাই পরম বিজয় ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ মনে রেখো তোমার শত্রুর শত্রু তোমার বন্ধু, আর তোমার শত্রুর বন্ধু তোমার শত্রু ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ অযাচিত দানই দান, চাহিলে অনেক সময় চক্ষুলজ্জায় লোকে দান করে, কিন্তু তা দান নহে ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ কার্পণ্য ত্যাগ করো নতুবা তোমার আপনজনরা তোমার জন্য লজ্জিত হবে এবং অপরে তোমাকে ঘৃণা করবে ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ ধনসম্পদ হচ্ছে কলহের কারণ, দুর্যোগের মাধ্যমে কষ্টের উপলক্ষে এবং বিপদ আপদের বাহন ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ রাজ্যের পতন হয় দেশ হতে সুবিচার উঠে গেলে, কারণ সুবিচারে রাজ্য স্থায়ী হয়। সুবিচারকের কোন বন্ধুর দরকার হয় না। ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ কৃপণতা সকল বদভ্যাসের সম্মিলিত রুপ। এটা এমনি এক লাগাম যা দ্বারা যে কোন অন্যায়ের দিকে টেনে নেওয়া চলে। ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ মানুষের সাথে তাদের বুদ্ধি পরিমাণ কথা বলো ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ যা সত্য নয় তা কখনো মুখে এনো না । তাহলে তোমার সত্য কথাকেও লোকে অসত্য বলে মনে করবে ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ হীনব্যক্তির সম্মান করা ও সম্মানীয় ব্যক্তির অপমান করা একই প্রকার দোষের ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ বড়দের সম্মান কর, ছোটরা তোমাকে সম্মান করবে ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ বুদ্ধিমানেরা কোনো কিছু প্রথমে অন্তর দিয়ে অনুভব করে, তারপর সে সম্বন্ধে মন্তব্য করে। আর নির্বোধেরা প্রথমেই মন্তব্য করে বসে এবং পরে চিন্তা করে। ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী ব্যক্তি ছাড়া আর কারো সঙ্গ কামনা করো না ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ যে নিজে সতর্কতা অবলম্বন করে না, দেহরক্ষী তাকে বাঁচাতে পারে না ”
হযরত আলী (রাঃ)
“ অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না, সকলকেই সে নিজের মতো ভাবে ”
হযরত আলী (রাঃ)
১. হজরত আলী (রা.) বলেন,
‘মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে, প্রেম-ভালোবাসার জন্য; আর বস্তু সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যবহারের জন্য। সমস্যার জন্ম নেয়, যখন বস্তুকে ভালোবাসা হয় এবং মানুষকে ব্যবহার করা হয়।
৩. ধনসম্পদ মাটিতুল্য; আর মাটি সংরক্ষণের যথাযোগ্য স্থান হচ্ছে পদতলে। তা যদি মাথার ওপর রাখা হয়, সেটা কবরের নামান্তর হয়। আর কবর তো জীবিত মানুষের জন্য নয়।
৪. সময় ও সম্পদ এমন দুইটি জিনিস, যা মানুষের ইচ্ছাধীন নয়। সময় মানুষকে বাধ্য করে, আর সম্পদ অহংকারী করে তোলে।
৫. নেককারদের সাহচর্য দ্বারা মানুষ শুধু মঙ্গলই পেয়ে থাকে। কেননা বাতাস যখন ফুলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাতে নিজেই সুগন্ধিযুক্ত হয়ে যায়।
৬. মূর্খলোক সম্পদের জন্য অন্তরের শান্তি বিসর্জন দেয়; আর বুদ্ধিমান ব্যক্তি মনের শান্তির জন্য সম্পদ লুটিয়ে দেয়।
৭. কখনও কারও সামনে নিজের সততা-ভালো হওয়ার কথা বলতে যাবে না। কেননা তোমার প্রতি যার বিশ্বাস আছে, তার কাছে তেমনটির প্রয়োজনই নেই; আর তোমার প্রতি যার ভক্তি-বিশ্বাস নেই, সে তা মেনে নেবে না।
৮. জীবজন্তুর মাঝে থাকে প্রবৃত্তি-কামনা এবং ফেরেশতাদের মধ্যে থাকে বুদ্ধি-বিবেক; কিন্তু মানুষের মধ্যে থাকে উভয়টি। মানুষ যদি বিবেক-বুদ্ধিকে চেপে যায়, পশু হয়ে যায় আর যদি প্রবৃত্তি-কামনা-বাসনাকে চেপে যায়, ফেরেশতাসম হয়ে যায়।
৯. সৎমানুষের এটাও অন্যতম গুণ যে, তাদের ইচ্ছা করে মনে রাখতে হয় না; তাদের কথা এমনিতেই মনে পড়ে।
১০.
‘শব্দ-কথা’ মানুষের ইচ্ছাধীন দাস হয়ে থাকে; তবে তা বলার আগ
পর্যন্ত। বলে ফেললে, মানুষ তার দাসে পরিণত হয়।
১১. ভালোবাসা সবাইকে নিবেদন করো; তবে তাকে সর্বাধিক ভালোবাস, যার অন্তরে তোমার জন্য তোমার চেয়েও অধিক ভালোবাসা বিদ্যমান।
১২. যে কাউকে একাকী উপদেশ দেয়, সে তাকে সজ্জিত করে; আর যে কাউকে সবার সামনে উপদেশ দেয়, সে তাকে আরও বিগড়িয়ে ফেলে।
১৩. জীবনযাপনকে প্রয়োজনের মধ্যে সীমীত রাখো; শখ-বাসনার দিকে নিয়ে যাবে না। চাহিদা একজন ফকিরেরও পূর্ণ হয়ে যায়। আর শখ-বাসনা একজন রাজা-বাদশাহরও পূর্ণ হয় না।
১৪. কথা বল পার্থক্য-জ্ঞানসহ, প্রশ্ন-প্রতিবাদ কর প্রমাণসহ। কেননা মুখ তো পশু-প্রাণীরও থাকে; কিন্তু তারা জ্ঞান-বুদ্ধি-ভদ্রতা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে।
১৫. কোনো মানুষের ভালো বা গুণের কিছু জানলে, তা বল, প্রকাশ কর। কিন্তু কোনো ত্রুটি পেলে সেক্ষেত্রে তোমার নিজের গুণের পরীক্ষা বলে মনে করবে।
১৬. সেসব মানুষের ওপর আস্থা-ভরসা রাখবে, যারা তোমার তিনটি বিষয় মূল্যায়ন করে। ক. তোমার হাসি-আনন্দের ক্ষেত্রে অব্যক্ত দয়া পোষণ করে, খ. তোমার ক্রোধের ক্ষেত্রে অব্যক্ত ভালোবাসা পোষণ করে, গ. তোমার মৌনতার ক্ষেত্রে গোপনমুখ হিসেবে কাজ করে।
✬ যে নিজের মর্যাদা বোঝে না অন্যেও তার মর্যাদা দেয় না!
✬ যৌবনের অপচয়কৃত সময়ের ক্ষতি অবশ্যই পূরন করতে হবে, যদি তুমি সন্তোষজনক
সমাপ্তি অনুসদ্ধান করো ।
✬ ত্বরিত ক্ষমা-প্রদর্শন ভদ্রতার নিদর্শন। আর ত্বরিত প্রতিশোধ গ্রহণ হীনতার পরিচায়ক।
✬ তোমার যা ভাল লাগে তাই জগৎকে দান কর, বিনিময়ে তমিও অনেক ভালো জিনিস
লাভ করবে।
✬ দ্রুত ক্ষমা করে দেয়া সম্মান বয়ে আনে আর দ্রুত প্রতিশোধ পরায়ণতা অসম্মান বয়ে আনে ।
✬ দুনিয়াতে সব চেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে সংশোধন করা আর সব
চেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যের সমালোচনা করা ।
✬ দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা যত বেশি হবে,আল্লাহর প্রতি ততোটাই কম হবে ।
✬ নিজের মহানুভবতার কথা গোপন রাখো, আর তোমার প্রতি অন্যের মহানুভবতার কথা প্রচার
করো।
✬ নীচ লোকের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য।
✬ পাথরের মত হয়োনা, যে নিজে অন্যের পথরোধ করে |
✬ পুণ্য অর্জন অপেক্ষা পাপ বর্জন শ্রেষ্ঠতর ।
✬ বিপদে অস্থিরতা নিজেই একটি বড় বিপদ।
✬ বুদ্ধিমানেরা বিনয়ের দ্বারা সম্মান অর্জন করে, আর বোকারা ঔদ্ধত্যের দ্বারা অপদস্ত হয়।
✬ মানুষের কিসের এত অহংকার, যার শুরু একফোটা রক্তবিন্দু দিয়ে আর শেষ হয় মৃত্তিকায় |
✬ মন্দ লোক অন্যদের সম্পর্কে ভালো ধারণা করতে পারে না, সর্বোচ্চ সে তাদেরকেও নিজের মত মনে করে।
✬ মনে রেখো তোমার শত্র“র শত্র“ তোমার বন্ধু,আর তোমার শত্র“র বন্ধু তোমার শত্র“।
✬ রাজ্যের পতন হয় দেশ হতে সুবিচার উঠে গেলে, কারণ সুবিচারে রাজ্য স্থায়ী হয়।
সুবিচারকের কোন বন্ধুর দরকার হয় না।
✬ অসৎ লোকের ধন – দৌলত পৃথীবিতে সৃষ্ট জীবের বিপদ – আপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
✬ অনুশোচনা খারাপ কাজকে বিলুপ্ত করে আর অহংকার ভালো কাজকে ধ্বংস করে।
✬ অভ্যাসকে জয় করাই পরম বিজয়।
✬ আত্মতুষ্টি নিশ্চিতভাবে নির্বুদ্ধিতার লক্ষণ।
✬ অনর্থক কামনা নিজেই একটি ধ্বংসাত্বক সঙ্গী, আর বদ অভ্যাস সৃষ্টি করে একটি ভয়াবহ শত্রু।
✬ অনুশোচনা খারাপ কাজকে বিলুপ্ত করে আর অহংকার ভালো কাজকে ধ্বংস করে।
✬ অভ্যাসকে জয় করাই পরম বিজয়।
✬ আত্মতুষ্টি নিশ্চিতভাবে নির্বুদ্ধিতার লক্ষণ।
✬ অনর্থক কামনা নিজেই একটি ধ্বংসাত্বক সঙ্গী, আর বদ অভ্যাস সৃষ্টি করে একটি ভয়াবহ শত্রু।
✬ গোপন কথা যতক্ষণ তোমার কাছে আছে সে তোমার বন্দী ।কিন্তু কারো নিকট তা প্রকাশ করা মাত্রই তুমি তার বন্দী হয়ে গেলে ।
✬ ছোট পাপকে ছোট বলিয়া অবহেলা করিওনা, ছোটদের সমষ্টিই বড় হয় ।
✬যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না, টা অন্যকে উপদেশ দিও না ।✬ যে নিজের মর্যাদা বোঝে না অন্যেও তার মর্যাদা দেয় না!
✬ যৌবনের অপচয়কৃত সময়ের ক্ষতি অবশ্যই পূরন করতে হবে, যদি তুমি সন্তোষজনক
সমাপ্তি অনুসদ্ধান করো ।
✬ ত্বরিত ক্ষমা-প্রদর্শন ভদ্রতার নিদর্শন। আর ত্বরিত প্রতিশোধ গ্রহণ হীনতার পরিচায়ক।
✬ তোমার যা ভাল লাগে তাই জগৎকে দান কর, বিনিময়ে তমিও অনেক ভালো জিনিস
লাভ করবে।
✬ দ্রুত ক্ষমা করে দেয়া সম্মান বয়ে আনে আর দ্রুত প্রতিশোধ পরায়ণতা অসম্মান বয়ে আনে ।
✬ দুনিয়াতে সব চেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে সংশোধন করা আর সব
চেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যের সমালোচনা করা ।
✬ দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা যত বেশি হবে,আল্লাহর প্রতি ততোটাই কম হবে ।
✬ নিজের মহানুভবতার কথা গোপন রাখো, আর তোমার প্রতি অন্যের মহানুভবতার কথা প্রচার
করো।
✬ নীচ লোকের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে অশ্লীল বাক্য।
✬ পাথরের মত হয়োনা, যে নিজে অন্যের পথরোধ করে |
✬ পুণ্য অর্জন অপেক্ষা পাপ বর্জন শ্রেষ্ঠতর ।
✬ বিপদে অস্থিরতা নিজেই একটি বড় বিপদ।
✬ বুদ্ধিমানেরা বিনয়ের দ্বারা সম্মান অর্জন করে, আর বোকারা ঔদ্ধত্যের দ্বারা অপদস্ত হয়।
✬ মানুষের কিসের এত অহংকার, যার শুরু একফোটা রক্তবিন্দু দিয়ে আর শেষ হয় মৃত্তিকায় |
✬ মন্দ লোক অন্যদের সম্পর্কে ভালো ধারণা করতে পারে না, সর্বোচ্চ সে তাদেরকেও নিজের মত মনে করে।
✬ মনে রেখো তোমার শত্র“র শত্র“ তোমার বন্ধু,আর তোমার শত্র“র বন্ধু তোমার শত্র“।
✬ রাজ্যের পতন হয় দেশ হতে সুবিচার উঠে গেলে, কারণ সুবিচারে রাজ্য স্থায়ী হয়।
সুবিচারকের কোন বন্ধুর দরকার হয় না।
✬ শত্র“রা শত্র“তা করতে কৌশলে ব্যর্থ হলে তারপর বন্ধুত্বের সুরত ধরে।
✬ সম্মুখে তারিফ করে দুষমন সে জন ।
✬ সম্মুখে তারিফ করে দুষমন সে জন ।

No comments:
Post a Comment